সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলন, যুবকের ১৫ দিনের কারাদণ্ড গোবিন্দগঞ্জে ইয়াবাসহ দুইজন মাদক ব্যবাসায়ী গ্রেফতার গোবিন্দগঞ্জে নির্মাণাধীন ঘর থেকে গাঁজার গাছ উদ্ধার, চাষি পলাতক গাইবান্ধার ঘাঘট নদীতে নিখোঁজের ৩দিন পর প্রকৌশলীর মরদেহ উদ্ধার গাইবান্ধায় বসতঘরের আগুনে বৃদ্ধের মৃত্যু রংপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ে এসআরবির অভিযানে বিপুল মাদকসহ গ্রেফতার ৩ সুন্দরগঞ্জে যৌতুক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি ফেনী থেকে গ্রেফতার গাইবান্ধায় তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার গাইবান্ধায় ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের প্রতিবাদে সাকোয়াত হোসেনের বিবৃতি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর মিলল স্কুল ছাত্রীর মরদেহ
নোটিশ :
প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে

রেলওয়েতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নেয়া আসাদুল কারাগারে

স্টাফ রিপোর্টার / ৭৬ Time View
Update : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েম্যান পদে চাকরি দেয়ার নামে ছয় লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ওয়েম্যান আসাদুল ইসলাম। টাকা নেয়ার পর চাকরি না দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি ও হুমকি দেওয়ার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হয়ে গাইবান্ধা কারাগারে রয়েছেন। এদিকে আসাদুল ইসলাম ভাড়াটে লোক দিয়ে সুজন বাবুর বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। ‎বুধবার দুপুরে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য তুলে ধরেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা এলাকার ভুক্তভোগী সুজন বাবু।

‎গ্রেপ্তার ওয়েম্যান আসাদুল ইসলাম একই উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের কিশমত সর্বানন্দ গ্রামের মাহাতাব ব্যাপারী ছেলে। তিনি বাংলাদেশ রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগের পীরগাছায় কর্মরত। ভুক্তভোগী সুজন বাবু একই এলাকার শ্রী সুখীলাল বাবুর ছেলে।

‎লিখিত বক্তব্যে সুজন বাবু বলেন, ২০১৮ সালের ১৫ মে সকালে তার নিজ বাড়িতে বসে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে আসাদুল ইসলামকে ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা দেন তিনি। টাকা নেয়ার পর চাকরিতে যোগদান করাতে ব্যর্থ হয়ে আসাদুল ইসলাম বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করেন। পরে টাকা ফেরত চাইলে বছরের পর বছর তাকে ঘোরানো হয়।

‎তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি সুজন বাবু টাকা ফেরত নিতে আসাদুল ইসলামের বাড়িতে গেলে তার প্রাণনাশের পরিকল্পনা করা হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার হয়ে পরে তিনি গাইবান্ধার আমলি আদালতে মামলা করেন। পরে ওই মামলায় আসাদুল ইসলাম আদালতে মুচলেকা দিয়ে টাকা ফেরত দেওয়া এবং ভবিষ্যতে হুমকি না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু আদালতে মুচলেকা দেয়ার পরেও টাকা ফেরত না দেয়ায় সুন্দরগঞ্জ আমলি আদালতে মামলা করেন সুজন। পরে ওই মামলায় গত ২১ সেপ্টেম্বর পুলিশ আসাদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। সুজনের অভিযোগ, আসাদুল ইসলামের ভাড়াটে লোক একই এলাকার শাহজাহান মিয়া নামের এক ব্যক্তি তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রায়হান ইসলাম নামে অন্য একজনকে দিয়ে তার বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি মিথ্যা অপহরণ মামলা করা হয়। ওই মামলায় সুজন গ্রেপ্তারও হন এবং ২৩-২৪ দিন কারাগারে  ছিলেন।

সুজন বাবু আরও অভিযোগ করেন, আসাদুল ইসলামের প্রতারণার সঙ্গে জেলাল হোসেন নামে লালমনিরহাটে কর্মরত আরেক ওয়েম্যানও জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকার অন্তত ৮৪ জন ব্যক্তির কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। তাদের সঙ্গে রেলওয়ের আরও কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী এ ধরনের প্রতারণার কাজে জড়িত থাকতে পারেন বলে সন্দেহ প্রকাশ করে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি প্রত্যাহার, আসাদুল ইসলাম ও জেলাল হোসেনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং তার কাছ থেকে নেয়া ৬ লাখ ৫ হাজার টাকা ফেরত দেয়ার দাবি জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে সুজন বাবুর ভাই বাঁধন কুমার রাজভোগ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর