বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
গাইবান্ধা কলেজিয়েট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন সাবেক এমপি মনোয়ার হোসেন আর নেই গোবিন্দগঞ্জে নবাগত জেলা প্রশাসকের ড. মনিরুজ্জামান এর পরিচিতি মতবিনিময় সভা গোবিন্দগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের অভিযানে ইউএনও’র ওপর বালুদস্যুদের হামলা সাঘাটায় মাদক সেবনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ জনের কারাদণ্ড ফুলছড়িতে ২১ সার জব্দ : ব্যবসায়ীর জরিমানা গাইবান্ধা কলেজিয়েট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপবৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ গাইবান্ধায় চাকরিজীবী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে চুরি যাওয়া ১৮ মোবাইল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীকে ব্যঙ্গ করে পোস্ট, ফুলছড়ি থানায় অভিযোগ
নোটিশ :
প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে

গাইবান্ধায় ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর-সিল জাল, বাবা-ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার / ৫৮ Time View
Update : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ন

গাইবান্ধায় জমি রেজিস্ট্রি ও জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনসংক্রান্ত এফিডেভিটে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর ও আদালতের সিল জালিয়াতির অভিযোগে বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। জাল স্বাক্ষর ও সিল ব্যবহার করে তৈরি একটি এফিডেভিট বৈধ হিসেবে আদালতে উপস্থাপনের অভিযোগও করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ও মামলার বাদী নাজমুল হুদা। এর আগে মঙ্গলবার সদর আমলি আদালতে মামলাটি করা হয়। বুধবার রাতে বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে জেলা শহরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

মামলার আসামিরা হলেন পলাশবাড়ী উপজেলার পূর্বপাড়া মহেশপুর এলাকার মানিক উল্লাহর ছেলে সাকোয়াত হোসেন ও তার ছেলে আসাদুজ্জামান।

আদালত ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ আগস্ট সকালে সাকোয়াত হোসেন ও তাঁর ছেলে আসাদুজ্জামান জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য একটি এফিডেভিট করতে আদালতের বেঞ্চ সহকারীর কাছে কাগজপত্র জমা দেন। কাগজপত্র পর্যালোচনার সময় একই ব্যক্তির বিষয়ে একই ম্যাজিস্ট্রেটের নামে করা আরেকটি এফিডেভিটের ফটোকপি দেখতে পান বেঞ্চ সহকারী।

পরে আসাদুজ্জামান বেঞ্চ সহকারীর কাছে তার বাবা সাকোয়াত হোসেনের ‘একই ব্যক্তি মর্মে’ করা এফিডেভিটের মূল কপি দাখিল করেন। ওই এফিডেভিটে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির আহম্মেদের নামে ব্যবহৃত স্বাক্ষর ও সিল তাঁর নয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ওই এফিডেভিটে ‘সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩, গাইবান্ধা’র সিল ব্যবহার করা হয়েছে। অথচ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির আহম্মেদ গত ১৫ জুলাইয়ের আগে পলাশবাড়ী উপজেলার এফিডেভিট সম্পাদনের দায়িত্বে ছিলেন না।

এজাহারে আরও বলা হয়, আসামিদের দাখিল করা এফিডেভিটে ১৬ জুন ২০২৬ তারিখ দেখানো হয়েছে এবং এতে সাব্বির আহম্মেদের স্বাক্ষর রয়েছে। তবে আদালতের প্রকৃত এফিডেভিট রেজিস্টার যাচাই করে ওই নম্বরের কোনো এন্ট্রি পাওয়া যায়নি। রেজিস্টারে সর্বশেষ ৫ মে ৪৫০/২৬ নম্বর স্মারকের এন্ট্রি রয়েছে।

নথির এসব তথ্য যাচাইয়ের পর এফিডেভিটটি জাল ও সৃজিত বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের সহযোগিতায় আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর ও আদালতের সিল জাল করে এফিডেভিটটি তৈরি এবং পরে সেটিকে বৈধ হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, জাল এফিডেভিটে ইংরেজি ভাষায় যে সিল ব্যবহার করা হয়েছে, সেটিও ভুয়া বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এর এফিডেভিটে ব্যবহৃত প্রকৃত সিল বাংলায়।

এ ঘটনায় সাকোয়াত হোসেন, আসাদুজ্জামানসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

বেঞ্চ সহকারী নাজমুল হুদা বলেন, ‘জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির স্যারের সিল ও স্বাক্ষর জালিয়াতির ঘটনায় এফিডেভিট করতে আসা বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে সদর আমলি আদালতে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আইনানুগ বিচার হবে বলে প্রত্যাশা করি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর