বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
গাইবান্ধা কলেজিয়েট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন সাবেক এমপি মনোয়ার হোসেন আর নেই গোবিন্দগঞ্জে নবাগত জেলা প্রশাসকের ড. মনিরুজ্জামান এর পরিচিতি মতবিনিময় সভা গোবিন্দগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের অভিযানে ইউএনও’র ওপর বালুদস্যুদের হামলা সাঘাটায় মাদক সেবনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ জনের কারাদণ্ড ফুলছড়িতে ২১ সার জব্দ : ব্যবসায়ীর জরিমানা গাইবান্ধা কলেজিয়েট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপবৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ গাইবান্ধায় চাকরিজীবী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে চুরি যাওয়া ১৮ মোবাইল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীকে ব্যঙ্গ করে পোস্ট, ফুলছড়ি থানায় অভিযোগ
নোটিশ :
প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে

সাদুল্যাপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গুডসেক দখল করে লুটপাট ও অনিয়মের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার / ৬১ Time View
Update : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৭ পূর্বাহ্ন

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গ্রাম উন্নয়ন ও দুস্থসেবা কেন্দ্র (গুডসেক) দখল করে গত ১৭ বছর ব্যাপক অনিয়ম ও কোটি কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে শনিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গুডসেকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মো. আব্দুস ছামাদ আকন্দ এ অভিযোগ করে প্রতিকার দাবি করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সাদুল্যাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বড়জামালপুর গ্রামে ১৯৮৬ সালে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা গুডসেক প্রতিষ্ঠা করা হয়। পাঁচজন প্রতিষ্ঠাতার মধ্যে তিনজন প্রয়াত হয়েছেন। বর্তমানে আব্দুস ছামাদ আকন্দ ও খন্দকার জিল্লুর রহমান বেঁচে আছেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত সরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছিল। ১৯৯৭ সালে এক পর্যায়ে জামালপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ফকির এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটি দখলে নিয়ে ব্যাপক লুটপাট শুরু করেন। তার নেতৃত্বাধীন কমিটি সংস্থার ক্যাম্পাসের গাছ, জমি বন্ধক, পুকুর লিজ, ঘর বিক্রয়, বিল্ডিং ভাড়ার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ শুরু করেন। এরপর ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত একই কায়দায় সভাপতি শাহাবুদ্দিন (মসকুট) ও সাধারন সম্পাদক এমদাদুল হক মন্ডল লুটপাট ও অর্থ আত্মসাৎ করেন। পরে ২০০৭ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর ফকির, আব্দুস সালাম সরকার, মামুন মন্ডল, সোলায়মান মন্ডল, জান্নাতি আকতার, রোজি বেগম, লিপন মন্ডল ও ফজলুল হক মিলে প্রতিষ্ঠানের অবশিষ্ট গাছ বিক্রি, জমি লিজ, অফিস ভবন ভাড়া, পুকুর লিজ, মাটি বিক্রির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, পূর্বের দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের নাম বহাল রেখে পুনরায় ২০২৫ সালের ৮ এপ্রিল সমাজসেবা অধিদপ্তর নতুন কমিটির অনুমোদন দেন। তথাকথিত বর্তমান কমিটির সভাপতি মামুন মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম সরকারের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের সম্পদ ও অর্থ লুটপাট শুরু হয়। ৫ই আগস্টের পর জাহাঙ্গীর ফকির পালিয়ে যান। এমতাবস্থায় সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে আব্দুস ছামাদ আকন্দ প্রতিষ্ঠানের অবশিষ্ট সম্পদ এক বছর দেখাশোনা করেন। এসময়ে কোনো সম্পদ বন্ধক বা লিজ দেয়া হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, গত ১৭ বছরে গুডসেকের কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি। বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেনি কমিটি। সংস্থার সম্পদ লুটপাট ও অর্থ আত্মসাৎকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে কমিটি বাতিলের জন্য প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আব্দুস ছামাদ আকন্দ।

এসময় এলাকাবাসী ও সংস্থার শুভাকাক্সক্ষী রাজু মন্ডল, শহিদুল ইসলাম, দারাজ আকন্দ, এনারুল সরকার, রিকু মন্ডল, আনারুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর