বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শিরোনাম
গাইবান্ধা কলেজিয়েট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন সাবেক এমপি মনোয়ার হোসেন আর নেই গোবিন্দগঞ্জে নবাগত জেলা প্রশাসকের ড. মনিরুজ্জামান এর পরিচিতি মতবিনিময় সভা গোবিন্দগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের অভিযানে ইউএনও’র ওপর বালুদস্যুদের হামলা সাঘাটায় মাদক সেবনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ জনের কারাদণ্ড ফুলছড়িতে ২১ সার জব্দ : ব্যবসায়ীর জরিমানা গাইবান্ধা কলেজিয়েট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপবৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ গাইবান্ধায় চাকরিজীবী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে চুরি যাওয়া ১৮ মোবাইল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীকে ব্যঙ্গ করে পোস্ট, ফুলছড়ি থানায় অভিযোগ
নোটিশ :
প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে

গাইবান্ধায় ধান সংগ্রহ বন্ধ : কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য কৃষক

স্টাফ রিপোর্টার / ৭৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ন

গাইবান্ধায় ধান চাল সংগ্রহ অভিযানের শেষ সময় নির্ধারিত আছে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত; কিন্তু জেলায় ধান সংগ্রহ অভিযান বন্ধ করে দিয়েছে খাদ্য বিভাগ। এতে পাইকারদের কাছে কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকেরা।

বাংলাদেশ কৃষক সমিতির জেলা শাখার সভাপতি সাদেকুল ইসলাম বললেন, কৃষকের গোলায় এখনো ধান আছে। কিন্তু খাদ্য বিভাগ ধান কিনছে না। সরকার প্রতি মণ ধান ১ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করলেও স্থানীয় বাজারে প্রতি মণ মোটা ধান ৮৫০ টাকা ও চিকন ৯৫০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। ধান ক্রয় বন্ধ করায় কৃষকেরা দিশাহারা হয়ে পড়েছেন। তিনি নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ধান কেনা অব্যাহত রাখার দাবি জানান।

জেলা খাদ্য বিভাগ সূত্র জানায়, এ বছর জেলায় বোরো ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৯ হাজার ৫৬৩ মেট্রিক টন। ৩ মে থেকে সরকারিভাবে ধান চাল কেনা শুরু হয়। চলার কথা ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। কিন্তু গাইবান্ধা খাদ্য বিভাগ ৯ আগস্ট থেকে ধান ক্রয় বন্ধ করে দেয়। সূত্রটি আরও জানায়, জেলায় ১১টি খাদ্যগুদামে ধান ও চালের ধারণক্ষমতা ৪৩ হাজার মেট্রিক টন। বর্তমানে মজুত আছে ৩৯ হাজার মেট্রিক টন।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর জেলায় বোরো ধানের চাষ হয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ২০ হেক্টর। বোরো উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৮ লাখ ৯৪ হাজার ১০৮ মেট্রিক টন। উৎপাদন হয়েছে ৮ লাখ ৯২ হাজার ১৭৩ মেট্রিক টন।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের কৃষক মিল্লাত হোসাইন বলেন, এ বছর তাঁর জমিতে প্রায় ২০০ মণ বোরো ধান উৎপাদন হয়। এর মধ্যে ৬০ মণ খাওয়ার জন্য রেখেছেন। বাকি ১৪০ মণ ধান বিক্রি করে সংসারের দায়দানা মেটাবেন। কিন্তু বর্তমান বাজারে প্রতি মণ ধান ৮৫০ থেকে ৯৫০ টাকা বেচাকেনা হচ্ছে। এই দামে ধান বিক্রি করলে লোকসান গুনতে হবে। সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে পারলে লাভ হতো।

সময় থাকলেও ধান কেনা বন্ধ রাখা প্রসঙ্গে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিত্যানন্দ কুন্ডু বলেন, লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অতিরিক্ত ধান কেনা হয়েছে। তাই ধান ক্রয় বন্ধ রাখা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর