গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গায় বলাৎকারের ঘটনাকে পুঁজি করে এলাকার জনপ্রিয় ব্যক্তি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামকে অপবাদ দিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় কুচক্রী অপপ্রচারকারী জাহিদ হাসান জিল্লুকে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় নেওয়ার দাবিতে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী।
রোববার উপজেলার ধোপাডাঙ্গার নতুন বাজার নামকস্থানে গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ সড়কে এলাকাবাসীর আয়োজনে রোববার অনুষ্ঠিত মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমিনুল ইসলাম এলাকার পরোপকারী জনপ্রিয় ব্যক্তি। তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই এবং বলাৎকারের ঘটনায় ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সুবিধা আদায়ের জন্য অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন চিহ্নিত প্রতারক জাহিদ হাসান জিল্লু।
তিনি আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- ফেসবুকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে মানহানিকর পোস্ট করে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এমনকি জাহিদ হাসান জিল্লু বাড়ি ভাংচুরের মিথ্যা অভিযোগ এনে আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে সুন্দরগঞ্জ থানায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত জিডিও করেছেন।
বক্তারা আরও বলেন, এর আগেও জাহিদ হাসান জিল্লু চাকরি দেওয়ার কথা বলে এবং ঘর ও ভাতার নামে মহিলাদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানাও রয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা কার্জন চৌধুরী, ফাওজুল কবির ফুল, ধোপাডাঙ্গা ইউপি সদস্য লিটন মিয়া, লিখন সরকার, ভুক্তভোগী আজিরন বেগম ও সুফিয়া বেগম। মানববন্ধন পরিচালনা করেন আব্দুর রউফ।
বক্তারা বলাৎকারের সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়ে অবিলম্বে চিহ্নিত প্রতারক কুচক্রী জাহিদ হাসান জিল্লুকে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট মহলের জরুরি পদক্ষেপ কামনা করেন।
প্রসঙ্গত পাউরুটি দেয়ার প্রলোভন দিয়ে ধোপাডাঙ্গা আশার আলো বিদ্যাপীঠের প্রথম শ্রেণির ছাত্র (৭)কে গত ২১ জুলাই দক্ষিণ রাজিবপুর গ্রামের মোনতাজ আলীর ছেলে মো. রাজ্জাক মিয়া তার বেকারির কারখানার ভেতর নিয়ে বলাৎকার করে।