গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাংগায় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। থানায় দায়েরকৃত একটি শিশু বলাৎকার ঘটনার অভিযোগ তুলে নিতে ওই কর্মকর্তা বাদীপক্ষকে হুমকি দিচ্ছেন—ফেসবুকে এমন তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। তবে স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রতিবাদকারীদের দাবি, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং ওই কর্মকর্তার সম্মানহানি করার একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা।
সোমবার সকাল ১০টায় ধোপাডাংগার দক্ষিণ রাজিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধনের আয়োজন করে এলাকাবাসী। এতে এলাকার অগণিত নারী পুরুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ গ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ধোপাডাংগা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য লিটন মেম্বর, বিশিষ্ট সমাজ সেবক কাজল মিয়া, অভিযোগকারী উজ্জল মিয়ার ছোট ভাই আলামিনসহ মা জোবেদা বেগম প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, “স্থানীয় জাহিদ হাসান জিল্লু নামের জনৈক ব্যক্তি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে এবং এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই নোংরা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। যিনি সারাজীবন দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন, অবসরে আসার পর তাকে এভাবে সামাজিক হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত। বলাৎকার ঘটনাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায়ের চেষ্টায় এই নোংরা খেলা শুরু করেছে।”
বক্তাগণ, ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ধোপাডাংগার মাটি কোনো ষড়যন্ত্রকারীর চারণভূমি হতে দেওয়া হবে না। প্রকৃতপক্ষে অভিযোগকারীকে হুমকি দেওয়ার কোনো ঘটনাই ঘটেনি। বক্তারা, অবিলম্বে এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানান এবং এর পেছনে জড়িত অপরাধীকে চিহ্নিত করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তারের দাবি তোলেন। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
মানববন্ধন শেষে, বিক্ষোভকারীরা বিক্ষোভ মিছিল প্রদর্শন করে জিল্লুর বিচারের দাবি করেন।